অধ্যক্ষ আসলাম উদ্দীন :
ঘটনা-১ : আমাদের কুষ্টিয়ার মেধাবী সন্তান বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ এক বুক স্বপ্ন নিয়ে এ দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ বুয়েটে ভর্তি হয়েছিল। এক বুক স্বপ্ন শুধু তারই ছিল না, ছিল তার বাবা-মা, ভাই-বোন, স্থানীয় মুরব্বী ও তার শিক্ষকসহ সমগ্র জাতির। ছেলে আমার লেখাপড়া শেষ করে নাম করা ইঞ্জিনিয়ার হবে। আমাদের মুখ উজ্জল করবে সমাজে আমাদের সম্মান বৃদ্ধি করবে। এমনই প্রত্যাশা ছিল সমাজের ও তার স্থানীয় শিক্ষকদের। এসবই স্বপ্ন ছিল মেধাবী বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ঘিরে। কিন্তু আচমকা এক ঝড় এসে তাঁদের সকল আশা-আকাঙ্খা, স্বপ্ন ভালবাসা এক নিমিষেই যে মিশিয়ে দিবে তা কি কেউ জানত! এখন অন্ধকার, শুধুই অন্ধকার।
২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর সে বাবা-মায়ের দোয়া নিয়ে বাড়ি হতে হলে ফিরে। হলে ফিরে এলেই তার ডাক আসে ২০১১ নং রুমে যাওয়ার। যথারীতি সে নির্ধারিত সময় রুমে গেলে তার হাত থেকে মোবাইল সেট কেড়ে নেয় রুমে অবস্থিত ছাত্রলীগের ছেলেরা। সাথে সাথে তার উপর চলতে থাকে হকস্টিক, বাটাম, লোহার রডের উপর্যপুরি আঘাত। সে তার অপরাধ জানতে চায় এবং প্রাণে বাঁচার জন্য তাদের হাতে পায়ে ধরতে থাকে। তার বেঁচে থাকার আঁকুতি, অসহায় আত্মসমর্পন সবকিছুই যেন তাদের কাছে ফিকে। এক সময় সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। জ্ঞানহীন এই শরীরের উপরও তাদের হকস্টিকও লোহার রড চলতে থাকে। এক পর্যায়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত হয়। ঘাতকরা রাত প্রায় ২.৩০ মিনিটের দিকে তার প্রাণহীন নিথর দেহ সবাই ধরাধরি করে সিঁড়ি ঘরের মাঝা-মাঝিতে রেখে চলে যায়। বনের কোন হিংস্রপ্রাণী ভুলেও যদি লোকালয়ে আসে তাকেও ওইভাবে পিটানো হয় না বলে মনে হয়। ভাগ্যিস হলে সিসি ক্যামেরা থাকায় সব আসামী চিহ্নিত হয়।
সাথে সাথে তার প্রিয় প্রতিষ্ঠানের প্রিয় শিক্ষার্থীরা ঘাতকদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে দাবানলের মতো জ¦লে উঠে। তাদের এ আন্দোলনের দাবানল বাংলাদেশের সকল বিশ^বিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়ে। পেপার পত্রিকা বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়াসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যন্ত বিষয়টি চলে আসে। তৃণমূলের সবাই হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে একাত্মতা ঘোষণা করেন এবং দ্রুত বিচার আদালতের মাধ্যমে এ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত সকলের বিচার দাবী করেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষের আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের সকল দাবী মেনে নেন এবং পুলিশ প্রশাসন বুয়েট ছাত্রলীগের সম্পাদক মেহেদীসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে এবং ১৯ জন বুয়েট শিক্ষার্থী যারা সবাই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী তাদেরকেআসামী করে থানায় মামলা করেন। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত শেষে হত্যার সঙ্গে জড়িত ২৫ জন বহিস্কৃত ছাত্র-লীগের নেতাকর্মীদের আসামী করে চার্জশীট দাখিল করেন।
পরের দিন নম্র, ভদ্র বিনয়ী স্বল্পভাষী এই মেধাবী আবরারের নিথর দেহটি ফ্রিজিং গাড়িতে করে তার প্রিয় জন্মস্থান কুষ্টিয়াতে আসলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। সর্বশেষ কুষ্টিয়ার দলমত নির্বিশেষ সকল শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহণে কুষ্টিয়ার কুমারখালী তার গ্রামের বাড়িতে তাকে সমাহিত করা হয়। এর মাধ্যমে শুধু আবরারের ডেডবডিরই সমাধিস্থ হলো না সমাধিস্থ হলো বাব-মায়ের স্বপ্ন, আশা-আকাঙ্খা, ভালবাসা এবং মেধা। সেই সাথে কুষ্টিয়াবাসী হারালো তাদের প্রিয় সম্ভাবনাময়ী কৃতী সন্তানকে। এ মামলায় ঢাকার দ্রুত বিচার আদালত বুয়েট শিক্ষার্থী ২৫ আসামীর সবারই মৃত্যুদন্ড সহ বিভিন্ন দন্ডে দন্ডিত করে। এর মাধ্যমে ধ্বংস হলো আমাদের কুষ্টিয়ার সন্তান আবরারসহ অপরাধে ২৫ জন দন্ডিত আসামীসহ মোট ২৬ জন মেধাবী ছেলে যারা লেখাপড়া করে জাতির সেবাই নিজেদের নিয়োজিত করত। তাহলে বুয়েটের এই ২৫+১=২৬ জন মেধা ধ্বংশের জন্য আমরা কাকে দায়ী করব? এ দায় কার?
বুয়েটে ভর্তিকৃত ২৬ জন শিক্ষার্থী নিশ্চয় এসএসসি এবং এইচএসসিতে সর্বোচ্চ গোল্ডেন এপ্লাস পেয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে সর্বোচ্চ মেধাবীদের সাথে প্রতিযোগীতা করে বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই ধরে নেয়া যায়, এ ছেলেগুলো সমাজের সকল নেতিবাচক কাজ থেকে বিরত রেখে নিজেদের লেখাপড়ায় ডুবিয়ে রেখেছিল। সেই সাথে এটাও বলব এ ছেলেগুলো সমাজে মা-বাবা, ভাই-বোন, স্কুল শিক্ষকসহ মুরব্বীদের কাছে আদরের পাত্র ছিল। তাদের প্রতি সকলের দোয়া ছিল এবং তারা সকলের প্রিয় ছিল। তাহলে এই ২৫ জন (খুনি অপরাধী) শিক্ষার্থী ১৮-১৯ বছর বয়সে বুয়েটে ভর্তি হয়ে সাথে সাথে কি এমন প্রশিক্ষণ পেল যার কারনে তারা খুনের মতো জঘন্য অপরাধে নিজেকে জড়িয়ে ফেললো এবং তার নিজের ভবিষ্যৎটা নষ্ট করলো। তাহলে কি এবিষয়টা নিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজন নাই? অবশ্যই এ বিষয় নিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজন আছে। এমনি হাজারো ঘটনার একটি মাত্র ঘটনা আমি এখানে উল্লেখ করলাম। এ ঘটনাগুলো নিয়ে যাঁরা ভাবেন এবং যাদের মধ্যে নূন্যতম দেশপ্রেম আছে তাদের নিশ্চয় হৃদয়ে রক্তক্ষরণ বন্ধ হচ্ছে না। আর বাবা-মায়ের কথা কি আলাদা করে বলার প্রয়োজন আছে? এর জন্য আমরা কাকে দায়ী করব? অভিভাবক,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাকি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ?
আমরা আশির দশকে ছাত্র রাজনীতি করতাম। তখন আমি রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র। তখন আমার নিজ এলাকার ভেড়ামারা কলেজ থেকে শুরু করে পাকশি কলেজ, ঈশ্বরদী কলেজ, গোপালপুর কলেজ, আব্দুলপুর সরকারি কলেজ সর্বশেষ আমার প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহারের সবুজ চত্বরে আমার ছিল ব্যাপক বিচরণ। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে আমরা ছিলাম একেক জন লড়াকু সৈনিক। আমাদের মধ্যে ছিল দেশপ্রেম, দেশের প্রতি ভালবাসা, মানুষের প্রতি ভালবাসা, দেশের প্রতি মমত্ববোধ আর ছিলাম গণতন্ত্রপ্রতিষ্ঠায় আপোষহীন। এ থেকেই তৈরি হয় আমাদের মধ্যে রাজনীতি। এরশাদের পতন ঘটিয়ে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ছিল আমাদের একমাত্র ধ্যান ও জ্ঞান। সর্বশেষ আশির দশকের শেষে সামরিক স্বৈরাচার এরশাদের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে লেখাপড়ার পাঠ শেষ করে দীর্ঘ দিনের স্মৃতিবিজড়িত মতিহারের সবুজ চত্বরের স্মৃতি পিছনে ফেলে বিজয় বেশে ঘরে ফিরে।এরপর শুরু হয় কলেজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। দীর্ঘ ২৮ বছর অধ্যক্ষ হিসেবে দলগমত নির্বিশেষ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে কলেজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করে কলেজকে বিশাল বটবৃক্ষে রূপদান করে (অনার্স কলেজ) গত ০৩-৭-২১ তারিখে অবসর নিয়ে কুষ্টিয়া জেলার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষের স্বীকৃতি, শেরে বাংলা গোল্ড মেডেল এবং ওসমানী পদকনিয়ে ঘরে ফিরি।
কোন রকম অভিজ্ঞতা ছাড়ায় অধ্যক্ষের চেয়ারে বসে সফলভাবে দায়িত্ব পালন, এ সবই সম্ভব হয়েছে আমার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতারআলোকে। আমার মধ্যে কিছুটা হলেও যদি সাংগঠনিক যোগ্যতা থেকে থাকে, আমার মধ্যে কিছুটা হলেও যদি সততা থেকে থাকে, আমার মধ্যে কিছুটা হলেও শিক্ষক বান্ধব চরিত্র থেকে থাকে, আমার মধ্যে কিছুটা হলেও যদি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে থাকে এর সকল কৃতিত্ব আমার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার। এ ব্যাপারে কথা বলতে গেলে অনেক কথায় এসে যায়। যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। অপ্রাঙ্গিক হলেও এখানে এটুকু আনলাম এ কারণেই যে, বর্তমান প্রজন্মের ছেলেরা জানুক তখনকার রাজনীতি আর এখনকার রাজনীতির গুণগত কত পার্থক্য ।
সে সময় কলেজে, বিশ^বিদ্যালয়ে রাজনীতির সু-বাতাস বইত। ছাত্র নেতারা রাজনীতির মাধ্যমে নিজেকে সু-নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে জাতীয় রাজনীতিতে যোগ্য হয়ে গড়ে উঠত। তাদের রাজনীতির মুখ্য উদ্দ্যেশ্যই ছিল জনগণের কল্যাণ। তখন ক্লিন ইমেজের মেধাবী ছাত্ররা রাজনীতিতে উৎসাহিত হতো। এখন আর সেটা চোখে পড়ে না। সেই সময় একমাত্র ইসলামী ছাত্র শিবির ব্যতীত আমাদের সকল সংগঠনের নেতৃত্বের মধ্যে চমৎকার একটা সুসম্পর্ক বিরাজমান ছিল। নেতৃত্বের মধ্যে একটা আত্মিক সম্পর্ক ছিল। আমরা ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে দেখেছি বিভিন্ন সংগঠনের ছাত্র নেতৃবৃন্দ মধুর ক্যান্টিনেএকসাথে চা খেতে।রাজশাহী বিশ^ববিদ্যালয়ের ছিল্ছিলায় আমরা বিভিন্ন সংগঠনের বন্ধুরা একসাথে চা খেতাম। কতই না মধুর সম্পর্ক ছিল সে সময়। এখন সেটা ভাবায় যায় না। এখন কালে ভদ্রে যদি ছাত্রদল এবং ছাত্রলীগের দুই নেতার করমর্দন বা হাস্যজ্জ¦ল পরিবেশে মতবিনিময় হয় তাহলে সেটা পত্রিকার হেডলাইন হবে। আবার ভয়ও আছেএকারনে পদপদবী চলে না যায়। এ প্রসঙ্গে আমার ব্যক্তিগত একটা অভিজ্ঞতা এখানে তুলে ধরতে চাই। ২০১৪ সালে আমার ছেলে আলতামাস আসলাম নিউটন এর এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হলে তাকে নিয়ে বিশ^বিদ্যালয় ভর্তি কোচিং এ ভর্তির জন্য দু’বার রাজশাহী যেতে হয়। দু’বারই রাজশাহী গিয়ে সন্ধ্যার পর আমার বিশ^বিদ্যালয়ের বন্ধু ও সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগের নেতা আসলাম সরকারের সাথে দেখা করি। তিনি তার শত ব্যস্ততার মধ্যেও আমাদের সাথে নিয়ে সাহেব বাজার দু’তলা কফি হাউজে যাই এবং সেখানেবসে কফি খাই আর আড্ডায় মেতে উঠি।আড্ডা মানেই বিশ^বিদ্যালয়ের স্মৃতি রোমন্থন। আমার ছেলে আমাদের সম্পর্ক দেখে অবাক হয়। সে আমাকে একাকি বলে “আব্বু সরকার আংকেল আর তুমি তো এক সংগঠন করতে না?” আমি বললাম না। সে তখন বলে “তাহলে তোমাদের মধ্যে এত চমৎকার সম্পর্ক”? আমি তখন বললাম কেন? একদল না করলে কি তাদের বন্ধুত্ব হবে না? সে চুপ। আমি তখন তাকে বললাম জীবনে চলার পথে একটা কথা সবসময় মনে রাখবে “নীতিবান মানুষ অন্য দলের হলেও তার সাথে বন্ধুত্ব করবে নীতিহীন মানুষ নিজ দলের হলেও তার সাথে বন্ধুত্ব করবে না”।
এখন নীতিবান রাজনৈতিক কর্মীর বড়ই আকাল। এখন সেখানে জনগণের জন্য বা সমাজের জন্য অথবা জাতির জন্য কিছুু করবে সেটা ভাবাই যায় না। তারা জনগণের কল্যাণের চেয়ে নিজের কল্যাণ নিয়েই বেশি চিন্তিত। বৈষয়িক স্বার্থ নিয়েই বেশি ভাবে। না ভাবলে তার পরিবার বা আপন জনেরা তাকে পাগল বলবে। এক সময় ক্লিন ইমেজের মেধাবী রাজনীতির আবাদ হতো। ক্লিন ইমেজের মেধাবী ছেলেরা রাজনীতিতে উৎসাহিত হতো। এখন আর সেটা চোখে পড়ে না। তারা রাজনীতির পরিবেশ না পেয়ে দূরে সরে যাচ্ছে।সে জায়গাগুলো দখলে নিচ্ছে সিলেটের বদ বদরুলরা। ফলে রাজনীতিতে যা হবার তাই হচ্ছে। জাতিগতভাবে আমরা পিছিয়ে পড়ছি। কুৎসিত নোংরা রাজনীতি দিনে দিনে আমাদের ঘিরেধরছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে এর থেকে আমাদের বের হওয়ার সুযোগ থাকবে না। আমাদের হাতে সময় খুবই কম। এখনই এমন রাজনীতি আমাদের সৃষ্টি করতে হবে যে রাজনীতি আমাদের মাঝথেকে আবরার ফাহাদের মতো আর কোন মেধাবী সন্তানকে কেড়ে নিবে না। এর জন্য প্রয়োজন সকল দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রমনা ছাত্রসহ দলমত নির্বিশেষ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের গণঐক্য। নইলে অচিরেই আমরা বি-রাজনীতকরণপ্রক্রিয়ায় চলে যাব। এ প্রসঙ্গে আমি ছাত্রলীগ (আওয়ামীলীগ), ছাত্রদল (বিএনপি), ছাত্রলীগ (জাসদ), ছাত্রফ্রন্ট,ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রমৈত্রীসহ সকল সকল ছাত্র সংগঠনের আমার সন্তানসম প্রিয় ছাত্রদের বলব তোমরা রাজনীতির মধ্যে দিয়ে নিজেদের সৎ, যোগ্য ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে আগামী দিনের রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য হিসেবে গড়ে উঠ। নইলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাও হবে না, বীরউত্তম জিয়াউর রহমানের স্বনির্ভর বাংলাও হবে না। ধন্যবাদ।